গণমাধ্যম – Prokash Bangla TV https://prokashbanglatv.com সত্যের সন্ধানে Wed, 10 Jun 2026 09:27:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://prokashbanglatv.com/wp-content/uploads/2026/03/cropped-logo-32x32.jpeg গণমাধ্যম – Prokash Bangla TV https://prokashbanglatv.com 32 32 জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8/ https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8/#respond Wed, 10 Jun 2026 09:17:19 +0000 https://prokashbanglatv.com/?p=215

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবসের এইদিনে আমি সারা বিশ্বের সেইসব সাহসী শান্তিরক্ষীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যারা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মত্যাগ করেছেন। বুধবার সকালে (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শাহাদাতবরণকারী ছয় সেনাসদস্যের স্ত্রীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ওই হামলাসহ সম্প্রতি চলমান মিশনগুলোতে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের হাতেও সম্মাননা তুলে দেন তিনি এছাড়া বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া সদস্যদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিজ্ঞাপনপ্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। আমি আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি। হতাহতদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সহানুভূতি এবং সমবেদনা।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ বছর যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, আজকের এই বিশেষ দিনে তাদের পরিবারকে সম্মাননা জানিয়ে আমি আমার বিশ্বাস থেকে একটি কথা বলতে চাই, শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান, যুদ্ধবিরোধী শান্তিকামী মানুষের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে, শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বই নয় জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যেকোনো মূল্যে শান্তি রক্ষায় বদ্ধ পরিকর। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি যতদূর জানতে পেরেছি, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের ২ লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশের প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানেও প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীতে পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য সাহসের সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি বিশ্বাস করি, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাবাহিনীতে নারী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।আগামী দিনগুলোতেও নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে, আপনাদের নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের কারণেই বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সুনাম ও অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি আপনাদের সাহস এবং গভীর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন বলেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।

একটি দেশের সশস্ত্রবাহিনী দেশের স্বাধীনতা সম্মান এবং সাহসের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই গৌরব এবং অহংকার অবশ্যই আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস। সুতরাং, এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয় সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর ভূমিকা সুখ্যাতি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে, দেশে সশস্ত্রবাহিনীর কিংবা সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে কিছু অপ তৎপরতা কখনো কখনো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণ হয়েছে। দেশে বিদেশে সশস্ত্রবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট করতে নানারকম তৎপরতাও বিদ্যমান ছিল। সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ৭৫ এর সাত নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।তারেক রহমান বলেন, এরপরও বিভিন্ন সময়ে নানারকম ঘটনায় সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চললেও ২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্রবাহিনীর উপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল। সেই আঘাতটির ফলে বাংলাদেশে কি ঘটেছিল সেটি আমাদের সবার জানা।

সুতরাং, ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তাটি হলো,‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অব কমান্ড’ ছাড়া সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুই অতীত চর্চা নয় বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে স্বমহিমায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যারা সশস্ত্রবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছেন অথবা সরকারে কিংবা জনপ্রশাসনে রয়েছেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা দেশে কিংবা বিদেশে যেখানে যেই দায়িত্ব পালন করছি সেই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করাই হোক আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার।বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি এখন সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট, নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর । এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর মর্ডানাইজেশনের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

]]>
https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8/feed/ 0
কোনো শর্তেই ‘আত্মসমর্পণ’ করবে না হিজবুল্লাহ https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a3/ https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a3/#respond Thu, 05 Mar 2026 06:11:52 +0000 https://prokashbanglatv.com/?p=10 মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে তেহরানের সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্যদিকে লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানের জবাবে কোনো অবস্থাতেই আত্মসমর্পণ না করার ঘোষণা দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী। এ অবস্থায় পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী। যৌথবাহিনীর হামলার নতুন লক্ষ্যবস্তু হয়েছে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক স্থাপনা। তেহরানের বিভিন্ন অংশ থেকে মাঝেমধ্যেই ভেসে আসছে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ। এরইমধ্যে দেশটিতে হতাহতে সংখ্যা সাত হাজার ছাড়িয়েছে।

এদিকে, পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরানও। মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে অন্তত ১৯ দফা আক্রমণ চালিয়েছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। তাদের দাবি, ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি বেশ কিছু জায়গার উন্নত রাডার সিস্টেমকে সফলভাবে নিশানা করেছে তেহরান। তবে সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে ইসরায়েল।

এদিকে ইরাকের কুর্দিস্তানে ইরানবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ওপরও হামলা চালিয়েছে ইরান।

এমন অবস্থায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এটিকে ইরানের বিরুদ্ধে অসাধারণ অগ্রগতি বলে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে বেপোরোয়া ট্রাম্পকে থামানোর পথও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধবাজ মনোভাব বন্ধ করতে আইনপ্রণেতাদের পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমার। যদিও প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ক্ষমতা কমাতে মার্কিন সিনেটে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ৫৩-৪৭ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে বা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে এখন কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না ট্রাম্পের।

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। নতুন করে তিনটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবিও করেছে দেশটি। আল-খারজ শহরে এগুলো ধ্বংস করা হয়। প্রতিবেশি আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর ইরানের চলমান হামলায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন আরব লিগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত।

যুদ্ধ বিস্তৃত হয়েছে লেবাননেও। দক্ষিণ লেবাননের অন্তত নয়টি শহরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ইসরায়েলি সেনা। তাদের হামলায় এরইমধ্যে হতাহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলেও, সহজে পিছু পা হচ্ছে না সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। কোনো শর্তেই আত্মসমর্পণে প্রশ্নই উঠে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাশেম।

]]>
https://prokashbanglatv.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a3/feed/ 0